সামাজিক সচেতনতা, সাম্প্রতিক, স্বাস্থ্য সংবাদ

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স : জানুন ও সতর্ক থাকুন

“মা! মা! শরীরটা গরম গরম লাগছে!” এরকম কথা শোনার পর আজকাল অনেক মাই তার সন্তানকে জ্বরের ট্যাবলেট দিচ্ছে তো দিচ্ছেই সাথে সাথে দিচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকও। এখান থেকেই শুরু হতে পারে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?

সাধারণত ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রা ভিন্ন হয়। সঠিক পরিমাণে এবং পর্যাপ্ত সময় ধরে ব্যবহার না করলে ব্যক্টেরিয়াগুলো ধ্বংস তো হয় না বরং আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তখন ওই অ্যান্টিবায়োটিকের এই ব্যাক্টেরিয়ার উপর আর কোনো প্রভাব থাকেনা। এ অবস্থাকে বলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।

কেন অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স দেখা দেয়?

  • প্রয়োজন ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে থাকলে
  • সময়মতো এবং সঠিক পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়া না হলে
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে করতে ছেড়ে দিলে

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধের উপায়

  • ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দিজ্বর হলে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের প্রয়োজন নেই। কারণ এগুলো ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকে।
  • আপনার চিকিৎসককে বলুন যে খুব প্রয়োজন না থাকলে যেন অ্যান্টিবায়োটিক নিতে না বলে।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করুন।
  • ডাক্তার যতদিন না বলে ততোদিন অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতে থাকুন।

 

*আমাদের সকল লেখা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা নিরীক্ষিত*

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে কোনো সমস্যা, রোগ নির্ণয় এবং ডায়েট প্লান তৈরি করতে ডাউনলোড করুন Rx71 Health App

আপনাদের সুবিধার্থে লিংক দেওয়া হলো http://bit.ly/2aStSKw

 

Comments

comments

পূর্ববর্তী পোস্ট পরবর্তী পোস্ট

আপনি হয়ত এগুলো পছন্দ করতে পারেন