জীবনযাত্রা, পরিবেশ দূষণ, ফিটনেস, সামাজিক সচেতনতা, স্বাস্থ্য সমস্যা

আপনার হাঁচি-কাশি অন্যদের জন্য কতটা মারাত্মক হতে পারে?

সুস্থ থাকার জন্য আমরা কি না করি! নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, চিকিৎসা করানো আরও অনেক কিছু। এতো কিছুর পরও আমরা নিজের অজান্তে অসুস্থ হই; অন্যকেও অসুস্থ করি। একটা প্রশ্ন করি।

শতকরা কতজন ব্যক্তি হাঁচি-কাশি বা হাই তোলার সময় সচেতন ভাবে মুখ ঢেকে রাখেন?

জনবহুল জায়গায় নাক মুখ না ঢেকে হাঁচি-কাশি দিলে সেই জীবাণু সংক্রমিত হয় ও আপনার আশেপাশের মানুষকে আক্রান্ত করে। ঠিক একই ভাবে, আপনার নিকটস্থ মানুষটি যখন অসতর্কতাবশত নাক মুখ না ঢেকে হাঁচি-কাশি দেয়, সেই জীবাণু দ্বারা আপনি আক্রান্ত হতে পারেন। হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমিত হওয়াকে ড্রপলেট ইনফেকশন বলে।

ড্রপলেট ইনফেকশন কিভাবে ছড়ায়?

জনবহুল জায়গায়, ট্রেনে, অফিসে বিশেষ করে পাবলিক বাসে হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় নাক মুখ ঢেকে না রাখলে ড্রপলেট ইনফেকশন ছড়ায়। হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে খুব সহজেই এক জন থেকে আরেক জনে রোগ জীবাণু সংক্রমিত হয়।

কিভাবে সতর্ক থাকবেন?

হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় রুমাল বা টিস্যু দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখুন। সাথে রুমাল বা টিস্যু না থাকলে হাত দিয়ে ঢাকুন।

ড্রপলেট ইনফেকশনের মাধ্যমে কোন কোন রোগ ছড়ায়?

১। শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন

২। সর্দি-কাশি

৩। ফ্লু

৪। মেনিনজাইটিস

৫। লেপরোসি

৬। নিউমোনিক প্লেগ

৭। রুবেলা

৮। সারস্‌

৯। স্ট্রেপ থ্রোট

১০। যক্ষ্মা

১১। হুপিং কাশি ইত্যাদি।

আপনার কয়েক সেকেন্ডের অসাবধানতার কারণে আপনার চারপাশের মানুষ মারাত্মক ভাবে রোগাক্রান্ত হতে পারে। হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় সতর্ক থাকুন; নিজে সচেতন হোন, অন্যদেরও সচেতন করুন।

 

Comments

comments

পূর্ববর্তী পোস্ট পরবর্তী পোস্ট

আপনি হয়ত এগুলো পছন্দ করতে পারেন

কোন মন্তব্য নেই

উত্তর দিন