BL(1)
ঘরোয়া টিপস্‌, স্বাস্থ্য সমস্যা

বদহজম! কেন?

বড়ই বদ এই বদহজম । খুব বেশি মারাত্মক কোন সমস্যা নয় এটি, কিন্তু মাঝে মাঝেই এর উৎপাত সহ্য করতে হয়। আর একবার যদি শুরু হয় তাহলে অস্বস্তির কারণে মনে হয় মরে গেলেও বোধহয় কষ্ট কম হবে।

বদহজমকে ডিস্পেপসিয়া (Dyspepsia) বা পেট খারাপও বলা হয়। বদহজম কোন রোগ নয়, এর ফলে তলপেটে ব্যথা হয় এবং খাওয়া শুরু করতেই পেট ভরে গেছে এমন বোধ হয়। যদিও বদহজম খুবই সাধারণ, তবে ব্যক্তিবিশেষে এটি ভিন্ন হয়ে থাকে।

কারণ

মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া বা খুব তাড়াতাড়ি খাওয়া

চর্বি বা মসলাযুক্ত খাবার গ্রহণ

ক্যাফেইন (Caffeine), এ্যালকোহল, চকোলেট বা কার্বোনেটযুক্ত পানীয় পান

ধূমপান করা

দূশ্চিন্তা

অ্যান্টিবায়োটিক, পেইনকিলার বা ব্যথানাশক ঔষধ এবং আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ

মাঝে মাঝে অন্য কোন ধরনের পৌষ্টিক রোগের কারণে বদহজম হতে পারে-

অন্ত্রের ইনফেকশন/গ্যাস্ট্রাইটিস

পাকস্থলীর আলসার

সিলিয়াক ডিজিজ

পিত্তথলির পাথর

কোষ্ঠকাঠিন্য

অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ (প্যানক্রিয়েটাইটিস)

পাকস্থলীর ক্যান্সার

অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা

অন্ত্রে রক্ত প্রবাহ কমে যাওয়া (ইন্টেসটাইনাল ইশকেমিয়া)

লক্ষণ

চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত নিম্নলিখিত লক্ষনগুলো দেখতে পান-

তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা ও জ্বালাপোড়া সৃষ্টি হওয়া।

বমি বমি ভাব বা বমি করা।

হৃৎপিণ্ডে জালাপোড়া সৃষ্টি হওয়া।

পেট ফাঁপা বা পেট ব্যথা করা।

ডায়রিয়া হতে পারে আবার কোষ্ঠকাঠিন্যতা দেখা দিতে পারে।

বুকে তীক্ষ্ণ ব্যথা।

খাবারের রুচি কমে যায়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

কীভাবে বদহজমের চিকিৎসা করা যায়?

দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় অভ্যাসগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এর চিকিৎসা করা যায়। চা বা কফি পান নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মানসিক চাপ কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিন। NSAID বা ব্যথানাশক জাতীয় ঔষধ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। বেশি মশলা যুক্ত খাবার খাওয়া এবং রাত জেগে থাকা থেকে বিরত থাকুন।

বদহজম হলে কী করতে হবে?

ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

হেলথ টিপস্‌

খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেতে হবে ।

চর্বি বা মসলাযুক্ত খাবার, ক্যাফেইন, এ্যালকোহল, চকলেট বা কার্বনেটযুক্ত পানীয় ও ধূমপান এড়িয়ে চলতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, কারণ অতিরিক্ত ওজন পাকস্থলিতে চাপ সৃষ্টি করে। যার ফলে অন্ননালীতে এসিড সৃষ্টি হয়, যা বদহজমের অন্যতম কারণ।

নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে।

Comments

comments

পূর্ববর্তী পোস্ট পরবর্তী পোস্ট

আপনি হয়ত এগুলো পছন্দ করতে পারেন