BL
খাদ্য ও পুষ্টি, জীবনযাত্রা, ফিটনেস, সাম্প্রতিক, স্বাস্থ্য সমস্যা

ঈদ উল আযহায় রোগীদের জন্য সচেতনতা !

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে মহিমান্বিত উৎসবের নাম ঈদ উল আযহা। এই ঈদে খুশি, ত্যাগ, তাকওয়া ইত্যাদির সাথে সাথে একটু সচেতনও থাকুন। তাহলেই কোরবানি আপনার জীবনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে। কোরবানির ঈদ মানে মাংস খাওয়ার পরিমান বেড়ে যাওয়া। তবে সুস্থ থাকার জন্য একটু নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকেই মাংস খাওয়া উচিৎ। বিশেষত যারা বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছেন, তাদের খাওয়ার ইচ্ছাটা যেন আরও বেশি। তাই আমাদের আজকের পোস্ট সেই সব রোগীদের জন্য যারা কোরবানির গরুর বা চর্বিযুক্ত খাবেন কিনা, খেলেও কী পরিমানে খাবেন সেসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করছেন।

রোগীদের জন্য সচেতনতা

হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কোন কোন বিষয়ে সচেতন থাকা উচিৎ?

প্রাণীজ মাংস বিশেষ করে রেড মিট বা লাল মাংসে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা হৃদরোগ বা স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এই ফ্যাট শরীরের আর্টেরিগুলোর দেয়ালে প্লাকের সৃষ্টি করে। এরা রক্তনালীগুলোর ভেতরে জমা থেকে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তচাপও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া এরা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস ক্ষতিকর; সেক্ষেত্রে এসব মাংস একটু কম পরিমানে খেলে ভাল হয়।

চর্বিযুক্ত মাংস কি ক্যান্সার রোগীদের জন্য ক্ষতিকর?

রেড মিটে হেমি(heme) নামক এক ধরণের প্রোটিন রয়েছে। এটি শরীরের ভেতরে বিক্রিয়া করে কার্সিনোজেনিক এন-নাইট্রিসো পদার্থে রূপান্তরিত হয়। ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের রেড মিট খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সতর্কতা।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারা বিশেষ করে এই ঈদে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। আপনার দৈনিক খাদ্যাভাসে যতটুকু মাংস বরাদ্দ থাকে তার থেকে বেশি মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

গর্ভবতী মহিলাদের কোরবানির মাংস খাওয়ায় কোন বাধা নিষেধ আছে কি?

গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে কোরবানির মাংস যেন পুরপুরি সিদ্ধ হয় এবং খুব ভালোভাবে রান্না করা হয়। আধা সিদ্ধ বা একেবারে কাঁচা মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাসি এবং অতিরিক্ত মাংস খাওয়া উচিৎ নয়।

Comments

comments

পূর্ববর্তী পোস্ট পরবর্তী পোস্ট

আপনি হয়ত এগুলো পছন্দ করতে পারেন

কোন মন্তব্য নেই

উত্তর দিন