পালং শাক এর বর্ণনা


শেয়ার করুন

পালং শাক

উপকারিতা ও অপকারিতা

যার জন্য উপকারী কারণ
ছানি (Cataract) পালংশাকে উচ্চমানের বেটা-ক্যারোটিন,লুটিন এবং জ্যান্থিন আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারি।রান্না করা পালংশাক খাওয়ার মাধ্যমে চোখে বেটা ক্যারোটিনের অভাব পূরণ করা সম্ভব।এই শাক ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগ যেমন-রাতকানা,চোখের চুলকানি,চোখের আলসার এবং শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।।এই শাক শুধু অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবেই কাজ করে না  চোখের জ্বালাপোড়া অথবা চোখের ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।
ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন (Macular degeneration)

এই শাকে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুলো শরীরে ফ্রি-্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধ করে,বয়সের করনে চোখের ছানি পড়া এবং দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা বা ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করে।

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure)

পালংশাকে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম রয়েছে যা শরীরের কোষের ইলেক্ট্রোলাইস এবং পানির সমতা বজায় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।পালংশাকের একটি প্রধান উপাদান হলো ফ্যাক্টর C0-Q10 যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।এটি ক্রমাগত পেশী এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত পাম্প করতে বিশেষ করে হৃদপেশীকে শক্তিশালী করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্ট্রোক (Stroke)

পালংশাকে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম রয়েছে যা শরীরের কোষের ইলেক্ট্রোলাইস এবং পানির সমতা বজায় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।পালংশাকের একটি প্রধান উপাদান হলো ফ্যাক্টর C0-Q10 যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।এটি ক্রমাগত পেশী এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত পাম্প করতে বিশেষ করে হৃদপেশীকে শক্তিশালী করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অস্টিওপরোসিস/অস্থি ক্ষয় (Osteoporosis)

এতে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম রয়েছে।অতিরিক্ত হাই-সল্ট ডায়েট মেনে চললে ইউরিনের মাধ্যমে  অনেক ক্যালসিয়াম শরীর থেকে  বেড়িয়ে যায়।এই ক্যালসিয়াম লস প্রতিরোধ করতে পটাশিয়াম সাহায্য করে।এটি হাড়ের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং হাড়ের ক্ষয়রোগও প্রতিরোধ করে।

ক্রনিক আলসার (Chronic ulcer)

পালংশাক এবং অন্যান্য সবজি পাকস্থলীর মিউকাস মেমব্রেন কে গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার হাত থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।পালংশাকে গ্লাইকোক্লেরোলিপিডস আছে যা রিপাকনালীর অভ্যন্তরীণ স্তরকে শক্তিশালী করে।এর ফলে পরিপাকনালীর জ্বালা-পোড়া বা প্রদাহ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।

করোনারী অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (Coronary atherosclerosis)

ধমনী শক্ত হওয়ার কারনে অ্যাথেস্ক্লোরোসিস হয়ে থাকে।পালংশাকে এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে যার নাম লুটিন, যা অ্যাথেস্ক্লোরোসিস,হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক হওয়া প্রতিরোধ করে।পালংশাকের প্রোটিন কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য ফ্যাট যা রক্তনালীতে জমে তা প্রতিরোধ করে।

প্রস্টেট ক্যান্সার (Prostate cancer)

পালংশাকে ইপোক্সিজ্যান্থোফিলস নামক ক্যারোটিনয়েডের উপস্থিতি রয়েছে, এর কারনে এটি অ্যাগরোসিভ প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য খুবই উপকারি।এতে নিউওজ্যান্থিন ভ্যায়ালজ্যান্থি রয়েছে যা শরীরের টিউমার এবং ক্যান্সারের বিস্তার রোধ করে।

রাতকানা

পালংশাকে উচ্চমানের বেটা-ক্যারোটিন,লুটিন এবং জ্যান্থিন আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারি।রান্না করা পালংশাক খাওয়ার মাধ্যমে চোখে বেটা ক্যারোটিনের অভাব পূরণ করা সম্ভব।এই শাক ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগ যেমন-রাতকানা,চোখের চুলকানি,চোখের আলসার এবং শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।।এই শাক শুধু অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবেই কাজ করে না  চোখের জ্বালাপোড়া অথবা চোখের ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।

চোখের চুলকানি

পালংশাকে উচ্চমানের বেটা-ক্যারোটিন,লুটিন এবং জ্যান্থিন আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারি।রান্না করা পালংশাক খাওয়ার মাধ্যমে চোখে বেটা ক্যারোটিনের অভাব পূরণ করা সম্ভব।এই শাক ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগ যেমন-রাতকানা,চোখের চুলকানি,চোখের আলসার এবং শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।।এই শাক শুধু অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবেই কাজ করে না  চোখের জ্বালাপোড়া অথবা চোখের ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।

চোখের আলসার

পালংশাকে উচ্চমানের বেটা-ক্যারোটিন,লুটিন এবং জ্যান্থিন আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারি।রান্না করা পালংশাক খাওয়ার মাধ্যমে চোখে বেটা ক্যারোটিনের অভাব পূরণ করা সম্ভব।এই শাক ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগ যেমন-রাতকানা,চোখের চুলকানি,চোখের আলসার এবং শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।।এই শাক শুধু অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবেই কাজ করে না  চোখের জ্বালাপোড়া অথবা চোখের ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।

শুষ্ক চোখ

পালংশাকে উচ্চমানের বেটা-ক্যারোটিন,লুটিন এবং জ্যান্থিন আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারি।রান্না করা পালংশাক খাওয়ার মাধ্যমে চোখে বেটা ক্যারোটিনের অভাব পূরণ করা সম্ভব।এই শাক ভিটামিন- এর অভাব জনিত রোগ যেমন-রাতকানা,চোখের চুলকানি,চোখের আলসার এবং শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।।এই শাক শুধু অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবেই কাজ করে না  চোখের জ্বালাপোড়া অথবা চোখের ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।

পেরিফেরিয়াল নিউরোপ্যাথি

পালংশাকে পযার্প্ত পরিমানে ভিটামিন বি- থাকে যা কার্বোহাইড্রেট,ফ্যাট এবং প্রোটিন বিপাকে সাহায্য করে।ভিটামিন বি- নিউরোট্রান্সমিটার উৎপ্নন করে এবং শরীরের সাথে মস্তিষ্কের যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখে

হৃদরোগ পালংশাকে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম রয়েছে যা শরীরের কোষের ইলেক্ট্রোলাইস এবং পানির সমতা বজায় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।পালংশাকের একটি প্রধান উপাদান হলো ফ্যাক্টর C0-Q10 যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।এটি ক্রমাগত পেশী এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত পাম্প করতে বিশেষ করে হৃদপেশীকে শক্তিশালী করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
স্পিনা বিফিডা

যে কোনো খাবারে ফোলেটের উপস্থিতি গুরূত্বপূর্ণ এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ফলিক এসিড খুবই উপকারি।ফলিক এসিড শিশুকে নিউরাল টিউবের অস্বাভাবিকতা থেকে রক্ষা করে এবং এর ফলাফল বিভিন্ন ধাপে দেখা যায়।

যার জন্য অপকারি কারণ
গাউট/গেঁটেবাত (Gout)

পালং শাকে অক্সালেট রয়েছে যা শরীরের তরল পদার্থকে জমাটবদ্ধ করে ফেলে। পালং শাকে পিউরিন রয়েছে যা অধিক পরিমাণে গ্রহণ করলে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এর ফলে গেঁটেবাত এবং কিডনীতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। যারা কিডনী বা পিত্তে পাথর জনিত রোগে ভুগছেন তাদেরকে এই শাক গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। 

কিডনিতে পাথর (Kidney stone) পালং শাকে অক্সালেট রয়েছে যা শরীরের তরল পদার্থকে জমাটবদ্ধ করে ফেলে। পালং শাকে পিউরিন রয়েছে যা অধিক পরিমাণে গ্রহণ করলে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এর ফলে গেঁটেবাত এবং কিডনীতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। যারা কিডনী বা পিত্তে পাথর জনিত রোগে ভুগছেন তাদেরকে এই শাক গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। 
পিত্তথলির পাথর (Gallstone) পালং শাকে অক্সালেট রয়েছে যা শরীরের তরল পদার্থকে জমাটবদ্ধ করে ফেলে। পালং শাকে পিউরিন রয়েছে যা অধিক পরিমাণে গ্রহণ করলে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এর ফলে গেঁটেবাত এবং কিডনীতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। যারা কিডনী বা পিত্তে পাথর জনিত রোগে ভুগছেন তাদেরকে এই শাক গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। 

সারমর্ম

পুষ্টিতথ্য

  • পরিবেশন আকার: ১০০ গ্রাম
  • পরিবেষনার ধরন: ৩ কাপ

ক্যালরি: ২৩ ক্যালরি

  • শর্করা: ৩.৬৩ গ্রাম
  • ফ্যাট: ০.৩৯ গ্রাম
  • প্রোটিন: ২.৮৬ গ্রাম
  • পানি: ৯১.৪ গ্রাম

খাদ্য পুষ্টি

  • গ্লুকোজ: ০.১১ গ্রাম
  • ফ্রুক্টোজ: ০.১৫ গ্রাম
  • গ্যালাক্টোজ: ০.১ গ্রাম
  • সুক্রোজ: ০.০৭ গ্রাম
  • সুগার: ০.৪২ গ্রাম
  • আঁশ: ২.২ গ্রাম
  • স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০৬৩ গ্রাম
  • হেক্সাডেকানয়িক এসিড: ০.০৪৯ গ্রাম
  • অক্টাডেকানয়িক এসিড: ০.০০৪ গ্রাম
  • টেট্রাডেকানয়িক এসিড: ০.০১ গ্রাম
  • মোনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.০১ গ্রাম
  • হেক্সাডেসিনয়িক: ০.০০৫ গ্রাম
  • অক্টাডেসিনয়িক এসিড: ০.০০৫ গ্রাম
  • পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড: ০.১৬৫ গ্রাম
  • অক্টাডেকাডিইনয়িক এসিড: ০.০২৬ গ্রাম
  • অক্টাডেকাট্রিইনয়িক এসিড: ০.১৩৮ গ্রাম
  • ভিটামিন- বি-১ (থায়ামিন): ০.০৭৮ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-২ (রিবোফ্ল্যাভিন): ০.১৮৯ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৩ (নায়াসিন): ০.৭২৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৫ (প্যান্টোথিনিক এসিড): ০.০৬৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- বি-৬: ০.১৯৫ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- সি: ২৮.১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- এ: ৯৩৭৭ I.U. (আন্তর্জাতিক একক)
  • ভিটামিন- ই: ২.০৩ মিলিগ্রাম
  • টোকোফেরলস: ২.২১ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন- কে: ৪৮২.৯ মাইক্রোগ্রাম
  • কোলিন: ১৯.৩ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট: ১৯৪ মাইক্রোগ্রাম
  • ভিটামিন- এ,আর-এ-ই (RAE): ৪৬৯ মাইক্রোগ্রাম
  • লুটিন + জিয়েজ্যানথিন: ১২১৯৮ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটা-ক্যারোটিন: ৫৬২৬ মাইক্রোগ্রাম
  • বেটাইন: ১০২.৬ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম: ৭৯ মিলিগ্রাম
  • পটাসিয়াম (K): ৫৫৮ মিলিগ্রাম
  • ক্যালসিয়াম (Ca): ৯৯ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস (P): ৪৯ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ৭৯ মিলিগ্রাম
  • লৌহ: ২.৭১ মিলিগ্রাম
  • জিংক (Zn): ০.৫৩ মিলিগ্রাম
  • সেলেনিয়াম (Se): ১ মাইক্রোগ্রাম
  • তামা (Cu): ০.১৩ মিলিগ্রাম
  • ম্যাঙ্গানিজ (Mn): ০.৮৯৭ মিলিগ্রাম
  • মিথিয়োনিন: ০.০৫৩ গ্রাম
  • আইসোলিউসিন: ০.১৪৭ গ্রাম
  • লিউসিন: ০.২২৩ গ্রাম
  • লাইসিন: ০.১৭৪ গ্রাম
  • ফিনাইলএলানিন: ০.১২৯ গ্রাম
  • থ্রিয়োনিন: ০.১২২ গ্রাম
  • ট্রিপটোফেন: ০.০৩৯ গ্রাম
  • ভেলিন: ০.১৬১ গ্রাম
  • হিস্টিডিন: ০.০৬৪ গ্রাম
  • আরজিনিন: ০.১৬২ গ্রাম
  • গ্লাইসিন: ০.১৩৪ গ্রাম
  • এলানিন: ০.১৪২ গ্রাম
  • সিরিন: ০.১০৪ গ্রাম
  • সিস্টিন: ০.০৩৫ গ্রাম
  • এসপারটিক এসিড: ০.২৪ গ্রাম
  • গ্লুটামিক এসিড: ০.৩৪৩ গ্রাম
  • টাইরোসিন: ০.১০৮ গ্রাম
  • প্রোলিন: ০.১১২ গ্রাম
  • অ্যাশ: ১.৭২ গ্রাম
  • ফাইটোস্টেরল: ৯ মিলিগ্রাম